We’ll never share your email address with a third-party.

LightBlog

Labels

Tags

LightBlog

Graphic Works

Category 2

Category 3

বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী এলাকায় আটক ১১ বিদেশি!!!

আটকবাংলাদেশের কক্সবাজারে পাসপোর্ট ছাড়া চলাফেরার সময় আটক ১১ জন বিদেশি ত্রাণ কর্মীকে পুলিশ মুক্তি দিয়েছে।



আন্তর্জাতিক মেডিকেল চ্যারিটি মেদ্যঁ স্যঁ ফ্রতিয়ে বা এমএসএফ বলছে, আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তাদের ১০ জন কর্মী ছিল।
কক্সবাজারে পুলিশের এসপি ড. এ.একে.এম. ইকবাল হোসেন বিবিসিকে জানান, শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এদের আটক করে।
তবে তাদের গ্রেফতার করা হয়নি বলে তিনি জানান।
উখিয়ার পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এরা গাড়িতে চড়ে স্থানীয় একটি শরণার্থী শিবিরে যাচ্ছিল।
কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে পুলিশের নিরাপত্তা চৌকিতে এদের বহনকারী গাড়িটিকে থামানো হয়।
র‍্যাব কর্মকর্তারা তাদের তাদের পাসপোর্ট এবং বাংলাদেশে কাজ করার অনুমতিপত্র দেখাতে বললে তারা সেটি দেখাতে পারেনি।
পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে তারা তাদের পাসপোর্ট ঢাকায় রেখে এসেছেন।

উচ্চ আদালতের রায় ইংরেজিতে দেওয়া হচ্ছে কেন???


স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে এবং এ ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিও হয়েছে। সরকারি অফিসের নথিপত্র, চিঠির ভাষা এখন প্রায় শত ভাগই বাংলা লেখা হয়। কিন্তু রাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানে এখনও ইংরেজির প্রাধান্য চলছে, আর সেটি হলো বিচার বিভাগ।

উচ্চ আদালতে এখনও সিংহভাগ রায় লেখা হয় ইংরেজিতে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম বলেন, উচ্চতর আদালতে বিশেষ করে সুপ্রিম কোর্টে এখনও ইংরেজির ব্যবহার বেশি। তবে নিম্ন আদালত এখন মোটামুটি বাংলাতেই চলছে। তিনি জানান, উচ্চতর আদালতেও এখন বাংলায় রায় দেওয়া শুরু হয়েছে। কয়েকজন বিচারক বাংলাতেই রায় দিচ্ছেন। তার মতে, উচ্চতর আদালতে বিভিন্ন দেশের আইন ও বিচার নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা হওয়ার কারণে সেখানে বাংলায় রায় দেওয়া একটু কঠিন।

"উচ্চ আদালতে বিচারের সময় বিচারক ও আইনজীবীরা তাদের যুক্তি তর্ক ও বিচারের মধ্যে বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে আনেন। বিশেষ করে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা যুক্তরাজ্য, অ্যামেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিচারের কথা সেসময় আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়। এগুলোর সবই ইংরেজিতে। আইনজীবীরা এখান থেকে উদ্ধৃত করে আদালতকে বলেন যে দেখেন এই রায়ে এই কথা বলা হয়েছে। এবং বিচারকরাও তখন সেভাবেই তাদের নোট নিয়ে থাকেন।"

তিনি বলেন, সেকারণে রায় লেখার সময় এই বিষয়গুলোই বিচারক ইংরেজিতে তুলে ধরেন। তবে অনেক সময় অনুবাদ করে বিচারক তার রায়ে এসব রেফারেন্সের কথা উল্লেখ করেন। তবে এসব রেফারেন্স অনুবাদ করতে গেলে কিছু সমস্যা হয় বলে জানান সাবেক বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম। "যথাযথ অনুবাদের বিষয় আছে। অনুবাদের পর অর্থ ভিন্ন রকমের হয়ে যায় কিনা সেটা নিয়ে একটা উদ্বেগ থাকে। অনেক সময় দেখা যায়, একটি ইংরেজি শব্দের দুই তিনটি বাংলা আছে। তখন একটা ভয় হয় যে অনুবাদ করলে অর্থটা অন্য রকম হয়ে যেতে পারে। ফলে একটা সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এসব কারণেই তারা তাদের রায়ে ইংরেজিটা রাখার চেষ্টা করেন।"

"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি"


আজ জাতীয় শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। প্রতিবছরের মতো এবারও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ, শহীদ মিনারের সামনের সড়ক ও দেয়ালে আঁকা হয়েছে রং বেরং এর দেয়ালচিত্র।বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মদ্ধ দিয়ে আজকের এই দিন!! এই ভাষার জন্য দিতে হয়েছে অনেক বাঙালির প্রাণ!!!

সিরিয়া যুদ্ধ: ইস্টার্ন ঘোটা স্ট্রাইক সংঘর্ষে নিহত বেসামরিক নাগরিক!!!

দামেস্কের বাইরের বিদ্রোহী আধিকারিক ঘাটা অঞ্চলে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করেছে সিরিয়ার সরকার বাহিনী।


সিরিয়ার মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে সোমবার এয়ার স্ট্রাইক এবং রকেট ফায়ারে অন্তত 98 জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

ইউকে-ভিত্তিক দল বলেছে 470 জন মানুষ আহত হয়েছে, কিছু সমালোচকরা।

বোমা হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।


প্রায় 400,000 মানুষ ইস্টার্ন ঘুতাতে বাস করে, যা 2013 সাল থেকে অবরোধের অধীনে রয়েছে।
সেনাবাহিনী একটি মাটি আক্রমণাত্মক প্রস্তুত করা হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।



রাজধানী দম্মেশকের কাছে এটি শেষ অবশিষ্ট বিরোধীদলীয় ছিটমহল।

সিরিয়ার সরকার এই মাসের শুরুতে এলাকা পুনঃস্থাপন করার জন্য তাদের প্রচারাভিযান চালায়, এটি শত শত মানুষকে হত্যা করে এবং আরও অনেককে আহত করে।
এদিকে তুরস্কে সিরিয়ার সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছে যে তারা উত্তর সিরিয়াতে তুর্কি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কুর্দিদের সহায়তা করবে না।

কেন সিরিয়ার একটি যুদ্ধ হয়?
সিরিয়ার টাইমলাইন

শীতকালীন অলিম্পিকে উত্তর-দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক পুনর্বিন্যস্ত করতে হবে?



দক্ষিণ কোরিয়ার ২018 সালের শীতকালীন অলিম্পিকের বড় গল্প উত্তর কোরিয়ার অংশগ্রহণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ স্বন উভয় দেশের দ্বারা ছড়িয়ে পড়েছে। তাই, কি অলিম্পিক লিগ্যাসি স্থায়ীভাবে উন্নত সম্পর্ক হবে?

গেমস পাইয়েংচংতে শুরু হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার এবং উত্তর কোরিয়ান ক্রীড়াবিদরা একটি যৌথ টিম হিসাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাঁটছিলেন।

এটি প্রতীকী একটি ভারী মুহূর্ত ছিল, তাদের ভাগ পতাকা একটি সাদা ব্যাকড্রপ উপর "ইউনিফাইড" কোরিয়ান উপদ্বীপ একটি নিরপেক্ষ ইমেজ সঙ্গে।

তারপর Kim Kim Jong-un এর বোন Kim Yo-Jong - একটি তথাকথিত অলিম্পিক চ্যাম্পিয়নশিপের আক্রমণে গিয়েছিলেন, একটি যৌথ মহিলা আইস হকি দল এবং উত্তর কোরিয়ার চিয়ারলিডারদের একটি দল বিশ্বব্যাপী শ্রোতাদের অনুপ্রাণিত করেছিল।

তবে কি অচেনা অচলাবস্থা শেষ হবে?

অপ্রত্যাশিত বন্ধুত্বপূর্ণ শব্দগুলির উপর ভিত্তি করে প্রত্যাশিত ওজন অবশ্যই উচ্চতর।

দক্ষিণ কোরিয়া ও সারা বিশ্ব জুড়ে বিস্তৃত সংবাদ কভারেজ - আন্তঃ-কোরিয়ার সম্পর্কগুলির মধ্যে একটি আবিষ্কারের পরামর্শ দেখেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার উদারপন্থী মিডিয়া একটি "অলিম্পিক স্পিরিট" এর কথা বলেছে, উত্তর চূড়ান্তভাবে আলোচনার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি চন্দ্র-জা-ই-এর উদারনৈতিক প্রশাসন রয়েছে।

কিন্তু সবাই না তাই বেশ সুখী হয়।

রক্ষনশীল এত অযৌক্তিক, যে দক্ষিণ কোরিয়া এর ডানপন্থী মিডিয়া সম্পাদকীয় নিয়মিত কোনো আলোচনায় Pyongyang খুব conceding বিরুদ্ধে তর্ক বিতর্ক।

এক উদ্বেগ হচ্ছে উত্তর কোরিয়া তার ক্ষেপণাস্ত্র বা পারমাণবিক কর্মসূচিতে ফাঁসির একটি অস্পষ্ট প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে যৌথ দক্ষিণ কোরিয়ায় এবং মার্কিন সামরিক ব্যায়ামে একটি হোল্ডের জন্য অনুরোধ করতে পারে।

কি 'নৈমিত্তিক ছবিটি উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে আমাদেরকে বলে
কিম এর বোন এবং উত্তর কোরিয়ার গোপন অস্ত্র
উত্তর কোরিয়ার চিয়ারলিডাররা ভিড়

বাস্তবতা হল প্রত্যাশা সব পক্ষের উপর দোষারোপ করা হতে পারে, সম্ভবত অবস্থার দিকে ফিরে সম্ভবত সম্ভবত।

একটি ক্রীড়া ইভেন্ট দুটি দেশের মধ্যে গভীর রাজনৈতিক বিভাজনের উপর অনেক প্রভাব ফেলতে অসম্ভাব্য।

কয়েক দশক ধরে আলোচনা পুনর্বিবেচনা করা হয় নি এবং নিছক বিষণ্ণতার অনুভূতির ঝুঁকিতে রয়েছে, সম্ভাবনা হল সম্পর্কটি ফিরে আসবে - উত্তেজনাপূর্ণ, অস্বস্তিকর এবং উদ্বেগজনক, কিন্তু স্থিতিশীল।

উত্তর কোরিয়ান যুদ্ধ 65 বছর আগে শেষ হওয়ার পর থেকে কোরিয়ান স্থিতাবস্থা সুস্পষ্টভাবে ধ্রুবক।

আজ থেকে শুরু হলো ফোর-জির যুগ


আজ সোমবার থেকে দেশে চালু হতে যাচ্ছে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) টেলিযোগাযোগ সেবা। আজ সন্ধ্যায় এ সেবা চালুর লাইসেন্স পাবে তিনটি বেসরকারি অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক । এর পরপরই তারা সেবাটি চালু করবে। অবশ্য সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক এখনো ফোর-জি চালুর নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ ঠিক করতে পারেনি।

ফোর-জি চালুর মধ্য দিয়ে টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। ২০১২ সালে দেশে থ্রি-জির মাধ্যমে দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট চালু হয়। ফোর-জির মাধ্যমে সেই ইন্টারনেটের গতি আরও দ্রুত বাড়বে।

অবশ্য অবকাঠামোগত দুর্বলতা নিয়ে দেশে ফোর-জি চালু হচ্ছে। ফলে দেশে কতটা ভালো মানের ফোর-জি সেবা দেওয়া যাবে, তা নিয়ে সংশয় আছে।

ফোর-জি চালু করতে আজ সন্ধ্যায় ঢাকা ক্লাবে চার মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা, বাংলালিংক ও টেলিটকের হাতে লাইসেন্স তুলে দেবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ইতিমধ্যে ফোর-জি লাইসেন্সের নির্ধারিত ফি ১০ কোটি টাকা বিটিআরসিকে পরিশোধ করেছে   চার অপারেটর।

মোবাইল ফোন অপারেটর সূত্রে জানা গেছে, আজ রাত থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকেরা ফোর-জি সেবা পাবেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনার মতো বড় শহরেও সেবাটি চালু হবে। এ জন্য কারিগরি প্রস্তুতির কাজ গুছিয়ে আনা হয়েছে।

রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইকেল ফোলি ফোর-জি লাইসেন্স হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেবাটি চালুর কথা জানান। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে গ্রাহকদেরও নতুন পথে চলা শুরু হবে।

একই কথা বলেন রবি আজিয়াটার সিইও ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ। তিনি প্রথম আলোকে জানান, লাইসেন্স পাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে ফোর-জি সেবা চালু করবে রবি। অপারেটরটির সূত্রে জানা গেছে, তারা প্রথম দিন থেকে সবচেয়ে বড় পরিসরে ফোর-জি নেটওয়ার্ক দেওয়ার চেষ্টা করছে।
বাংলালিংক সূত্রে জানা গেছে, তারাও আজ থেকেই গ্রাহকদের ফোর-জি সেবা দেবে। রাজধানীর পাশাপাশি খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে বাংলালিংক গ্রাহকেরা সেবাটি সবার আগে পাবেন।
টেলিটক আজ লাইসেন্স নিলেও সেবাটি চালু করতে তাদের দেরি হবে। কিন্তু কত দেরি হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে দায়িত্বশীল কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি। জানতে চাইলে টেলিটকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব শ্যামসুন্দর সিকদার প্রথম আলোকে বলেন, টেলিটক যাতে দ্রুত অর্থ পায়, এ জন্য কাজ চলছে।

দ্রুতগতির ফোর-জি সেবা পেতে হলে নেটওয়ার্কের পাশাপাশি শক্তিশালী ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক অবকাঠামো দরকার। সেটি দেশে নেই। টেলিযোগাযোগ-বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়ার জ্যেষ্ঠ গবেষক আবু সাইদ খান বলেন, দ্রুতগতির ফোর-জির জন্য ব্যান্ডউইথ সরবরাহের অবকাঠামো এখনো খুবই দুর্বল। বিটিআরসির অবকাঠামো ভাগাভাগি নীতিমালা অনুযায়ী এনটিটিএন (নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক) অপারেটর ছাড়া আর কোনো প্রতিষ্ঠান সারা দেশে ফাইবার অপটিক ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে পারে না।

অবশ্য এনটিটিএন অপারেটরেরা দাবি করেছে, দ্রুতগতির ফোর-জি সেবার জন্য যে মানের ফাইবার অপটিক অবকাঠামো থাকা প্রয়োজন, তা দেশের উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত আছে। বেসরকারি এনটিটিএন প্রতিষ্ঠান ফাইবার অ্যাট হোমের হেড অব গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স আব্বাস ফারুক বলেন, সারা দেশে বর্তমানে দুই বেসরকারি এনটিটিএনের ৬০ হাজার কিলোমিটারের বেশি ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক রয়েছে। মোবাইল অপারেটরদের উপজেলা পর্যন্ত দ্রুতগতির ট্রান্সমিশন সেবা দিতে এনটিটিএন অপারেটরেরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

ফোর-জি সেবা পেতে হলে সিম কার্ড ও হ্যান্ডসেটটি এ প্রযুক্তির উপযোগী হতে হবে। আপনার সিমটি ফোর-জি কি না, সেটি বিনা মূল্যে জানার সুযোগ আছে। গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা মোবাইল ফোন থেকে *১২১*৩২৩২# ডায়াল করলেই ফিরতি বার্তায় সিমটি ফোর-জি কি না, তা জানতে পারবেন। রবির গ্রাহকদের এ জন্য ডায়াল করতে হবে *১২৩*৪৪ #। আর বাংলালিংকের গ্রাহকেরা মোবাইল ফোন থেকে 4G লিখে ৫০০০ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠালে ফিরতি বার্তায় ফোর-জি সিমের বিষয়ে তথ্য পাবেন। টেলিটক তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য এখনো এ ধরনের কোনো সেবা চালু করেনি।
সিমটি যদি ফোর-জি না হয়, তাহলে সেটি সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহক সেবাকেন্দ্র থেকে পরিবর্তন করে নিতে হবে। সিম পরিবর্তন করতে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন) দিতে হবে। click here...

১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে!!!


১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরুর দিন থেকেই এবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। গত শনিবার পর্যন্ত ১০টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এবার আগাম ঘোষণা দিয়ে প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস চলছে, যা প্রশ্নপত্র ফাঁসের রেকর্ড। প্রথম দুই দিনের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে ৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটি র প্রধান কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর ।

আলোচনা শেষে কমিটির প্রধান মো. আলমগীর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ফেসবুকে ফাঁসকারীরা বলেছে, গণিতের চার সেট প্রশ্নই ফাঁস করেছে। কিন্তু একটাও মেলেনি। আবার ইংরেজিতে কিছু মিল পেয়েছে। তখন সাংবাদিকেরা জানতে চান, তাহলে কি এ পর্যন্ত কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো প্রমাণ পায়নি? জবাবে সচিব বলেন, ‘পাব না কেন? কিছু তো আংশিক আছে, কিছু পুরোপুরি আছে।’

পরীক্ষা বাতিল করা হবে কি না এমন প্রশ্ন উঠে আসলে জবাবে সচিব বলেন, যদি অবজেকটিভ টাইপের প্রশ্ন ফাঁস হয়ে থাকে, তাহলে বাকিটার (প্রশ্নপত্রের সৃজনশীল অংশ) পরীক্ষা নতুন করে নেওয়া হবে না, শুধু অবজেকটিভের জন্য পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা চলার এক-দুই বা তিন ঘণ্টা আগে বা আগের দিন যদি ফাঁস হয়ে থাকে তবে পরীক্ষা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

গতকাল সকালে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে বগুড়ায় মো. রবিউল আলম (১৯) নামের এক কলেজছাত্রকে আটক করেছে র্যাব। তাঁর বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শিবপুর এলাকায়।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেছেন। রবিউলকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। তিনিও সেই চক্রের একজন সদস্য। চার থেকে পাঁচ সদস্যের এই চক্রের প্রধান সোহান পারভেজ। তাঁর বাড়িও গোপালগঞ্জে। তিনিই রবিউলকে বগুড়ায় পাঠিয়েছেন। তবে কত দিন আগে তিনি এসেছেন তা জানা যায়নি।

চক্রটি প্রথমে ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে। এরপর তারা এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে। চক্রটি প্রশ্নপত্রের দাম ৩০০ থেকে ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করে। 

রবিউলের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, দুটি সিম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ৪১ পাতার আলামত পাওয়া গেছে। আলামতের মধ্যে আটটি বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্ন পাওয়া গেছে। এগুলো মূল প্রশ্নের সঙ্গে ১০০ ভাগ মিলে গেছে। আড়াইহাজারে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
© Copyright 2015. Website by Way2themes - Published By Gooyaabi Templates